অনেক ভোর, যাকে বলে সুবহে সাদিক। পিজি হাসপাতালের একটা শীতল ঘরে (এসি কেবিন) গোলাম আজম ঘুমাচছে। তার অনেক দ্রুত REM হচছে। গোলাম দেখছে তার জান কবজ করার জন্য আজরাইল চলে এসেছে। কী সুনদর টকবগে আজরাইলের চেহারা। সপনে রঙ দেখার কথা না কিনতু গোলাম মিয়া দেখছেন আজরাইল সুনদর বাসনতী রঙের একটা পাঞজাবী গায়ে দিয়া দনডায়মান। হাতে এক গাছি সোনালী আশের দরি। গোলাম মিয়া কোৰ করে একটা ঢোক গিলে বলিলেন “জনাব, হাতে দরি কেন?”
যুবক রূপের আজরাইল বলেন “হারামজাদা বুড়া হয়ে গেলি এখনো বুঝলি না যে আমি এক এক জনের জান নেই এক এক তরিকায়? তোর জান নিব ফাসিতে ঝুলায়া”
এই পর্যনত দেখেই গোলাম মিয়া ছোটবেলায় ফেরত গেলেন মানে বিছানা ভিজাইযা ঘুম থেকে উঠে গেলেন। যখন ঘুমটা ভাঙল পাশেই প্রজনম তততরে অনেক গুলোন যুবক হুংকার করে বলে উঠল “জয় বাংলা”।
গোলাম মিয়া আর একবার কাপড় ভিজানোর তালে ছিল কিনতু তার বলাডারে আর মাল ছিল না।
অনেক ভোর, যাকে বলে সুবহে সাদিক। পিজি হাসপাতালের
231
previous post
