চলো

“ঘুমোও তুমি, ঘুমোও তুমি” বলছে না কেউ হঠাৎ করে?
কেউ আমাকে ডাকছে না আর, আসতে বলে অনেক ভোরে?
এসব কথা ভাবতে ভাবতে সূর্যিমামার উদয় হয়
“এক্কেবারে মরেই যাব”, এই ভাবনারই হয় ভয়!
অনেক ভোরে আলতো পায়ে ঘাস মাড়িয়ে যেতে চাই
এই শহরের হট্টগোলে চলো বসে ফুসকা খাই।
গড়ুক বেলা, পড়ন্ত দিন, কে কার হিসেব নিচ্ছে আজ?
শহর জুরে হরতালেতে তোমার জন্য নেইযে কাজ।

আমার অক্সিজেন

কী অসম্ভবের দশা, নিশ্বাসের অক্সিজেন
কঠিন লোহাকেও মরিচা ফেলে দেয়;
যারা নিশ্বাস নিয়ে স্বপ্ন দেখি বা দেখাই
লৌহ মনকে মরিচা থেকে বাঁচাই,
কোথায় জানি বোবা কান্না থেকে যায়।

হে আমার আকাশ রাঙা মেঘ
তোমার বুকে বৃষ্টি আছে জানি
আমার হৃদয় মরচে পরা লাল
জ্বলুক পুরুক ক্ষতি নেই তবু
একটু শুধু লাগবে এখন জল।
জলের মাঝেও লুকিয়ে থাকে বাঁচা
এই অসময় তোমার অপেক্ষায়
সম্ভাবনার তোমার আমার খেলা
মেঘের বাড়ি আসুক এ রাস্তায়।

তোমার অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ

কন্ঠের কাছে বিষের মতো ছায়া
সঙ্কুচিত একটা ভ্রমর দিকভ্রান্ত
হঠাত পৃথিবীর বলয়ে চৌম্বক রেখা অচেনা
29 জেনেও
আমার জিপিএস চালু করি না।

কে এসে আজ জ্বালবে আলো

বন্ধ ঘরের অন্ধকারে
একলা নিঝুম রাত্রিবেলা
কে এসে আজ জ্বালবে আলো
কে দিবে ফুল প্রভাত বেলা?

আমার আকাশ সেই তো আছে
আগের মতোই উড়ন্ত মেঘ
হথাত কোথায় দমকা হাওয়ায়
একলা হল যাবার বেলা।

আজকে দেখি হাতের পরশ
পরছে একটু অন্যভাবে
লিখব বলে বসে ছিলাম
লেখার খাতা কোথায় যাবে?

তোমায় ছিল লেখার কথা
আমার খাতা আমার ব্যাথা
তবু দেখো বন্ধ ঘরে
একলা আমার মেঘের ডানা।

বলব বলেই হয়তো দেখো
লিখছি আজও আগের মতোই
বলেছিলে লিখতে হবে
বলতে গেলেই শুধু মানা।