অনেক দিন পরে প্রথম আলো গিয়েছি

n5719663669_2672গতকাল প্রথম আলোতে গিয়েছি প্রায় ৩বছর পরে। অনেকের সাথে দেখা হলো। অনেক স্মৃতিকথা। পুরোনো দিনের কথায় শুধু আনন্দ স্মৃতি ভেসে আসে। মানুষ দুঃখের কথা মনে রাখে না। অনেক ভালো লেগেছে এতদিন পরে তাই।

The Song I can’t forget for a Single Day!

This is my all time favorite song. I found some interesting information from wikipedia regarding this. Here it goes:

Jamaica Farewell

From Wikipedia, the free encyclopedia

Jamaica Farewell” is a famous calypso about the beauties of the West Indian Islands.

The lyrics for the song were written by Lord Burgess (Irving Burgie). Lord Burgess was born in Brooklyn, New York in 1926. His mother was from Barbados and his father was from Virginia. The song first appeared on Harry Belafonte‘s phenomenally successful album Calypso.

Though many, including Belafonte himself, have said that the song was popular in the West Indies since long before Burgess, it is believed that Burgess compiled and modified the song from many folk pieces to make a new song, and it is indubitable that it was Belafonte who popularised the song outside the Caribbean Islands. Burgess acknowledged his use of the tune of another calypso, “Iron Bar”.

Other well-known singers of “Jamaica Farewell” include Sir Lancelot, Jimmy Buffett and Carly Simon..

The term “ackee rice” found in the lyrics refers to the fruit of a tropical tree indigenous to the Ivory Coast and Gold Coast of West Africa; taken to Jamaica in 1793. It has some poisonous properties, yet if properly prepared the fruit is often used as a food additive.

This song has been translated into many languages. For example, in Bangla, there exist several translations, some of which are quite well-known. One Bengali version of the song became an important anthem for the Naxalite revolutionary movement in the 1970s and thus has significance for Bengali intellectuals in Kolkata society.

****This youtube version is the earliest one. So sound and video quality is not good but you can feel the tunes. The real tunes.

Here is the lyrics:

JAMAICA FAREWELL
Down the way where the nights are gay
And the sun shines daily on the mountain top
I took a trip on a sailing ship
And when I reached Jamaica
I made a stop.

But I’m sad to say, I’m on my way
Won’t be back for many a day
My heart is down my head is turning around
I had to leave a little girl in Kingston town.

Down at the market you can hear
Ladies cry out while on their heads they bear
‘Akey rice, salt fish are nice
And the rum is fine any time of year.

But I’m sad to say, I’m on my way
Won’t be back for many a day
My heart is down my head is turning around
I had to leave a little girl in Kingston town.

Sounds of laughter everywhere
And the dancing girls swaying to and fro
I must declare my heart is there
Though I’ve been from Maine to Mexico.

But I’m sad to say, I’m on my way
Won’t be back for many a day
My heart is down my head is turning around
I had to leave a little girl in Kingston town.

Here is the link to listen the song: http://www.janowick.net/jamaica.htm

I have almost 8versions of this song. If you need it just leave me a message. I’ll try to deliver this song to you.

????? ????: ?????? ??? ????? ????? ???? ??????? ??????? ?? ????? ?????? ?????? ?????? ?????? ??? ??? ????? ?? ??????? ????? ???? ???? ???? ????????’? ?????? ???? ??? ???? ?????? ???? ?????? ????? ??????? ?????? ???? ??? ??????? ?????? ??????

harry_belafonte_lg harrybelafonte belafonte5 Harry_Belafonte_Almanac_1954_b

আমি যখন গৃহী ছিলাম

এই ছবিটি তুলেছিলেন বন্ধু সোহেল রানা রিপন। রিপনের বিশালতায় (বিশাল চেহারা তার) আমি মুগ্ধ। ছবিটি লালমাটিয়া বাসায় তুলেছিলেন, আমার বসার ঘরে। তার নতুন ৪০ডি টেস্ট করছিলেন আমার উপর। আমার মাথায় তখন চুল ছিল অনেক কম। এই স্টাইলের চুল আর কাটিনি যা ক্রমশই বর্ধিত হচ্ছে কোন ধরনের কাট সাট না করে।

_MG_0006

The Last Party of My Birthday

The sun of 21st June is no longer in the sky (in part of Bangladesh, +6GMT). All my friends, colleagues is in their home. Yes, I am talking about the night. I was at Dhanmondi Lake, Dhaka with myself. That was a terrible day for me, Really!

Around 11:30PM I went to Fahmida Apa’s (Fahmida Nobi, famous singer of our country) house where her daughter Anmol prepared her first cake. Lucky I am! At least I am lucky with my tiny luck (the past incident is forcing me write so). We lit the candle and the party began. The three musketeers party!

21062008242

Thanks Anmol for the cake! At least I can see a pale smile on my face. Right now I am not smiling anymore but if I could, I’ll spare this to you. Unfortunately, I am not allowed today. The spaces between my finger is far far away from mind. I can feel my breath but something is missing inside me! I am searching for myself now.

The Song I am listening to

SHE’S LONESOME AGAIN
(George Jones – George Riddle)
« © ’63 Glad Music »
Look out heart I can tell you have weaken
For I feel those heartaches began
She’s come back and I don’t know what has brought her
She don’t love me she’s just lonesome again
For a while I know that I’ll be happy
And that’s all that matters within
Though I love her I know I can’t hold her
But she’ll come back when she’s lonesome again
Just like always I’m waiting here for her
Yes it’s true I always have been
Yes I love her but I know I’ll be sorry
She don’t love me she’s lonesome again
Yes I love her but I know I’ll be sorry
She don’t love me she’s lonesome again

Well! One of my favorite song. In the year 1998 I got reference of this song from Encarta. There was a small clipping. But somehow I loved that song without any feelings. Now I can feel it. I can touch it. May I am pretending to be but situation is not to.

Farewell. Farewell. Farewell.

একটা কবিতা লিখব

একটা কবিতা লিখব এটি আমার ১৯বছর বয়সে লেখা একটি কবিতা। আমার গ্রামে বড় হয়ে ওঠার একটা অংশ এতে আছে। সেই সময়ে উদীচী’র অনুষ্ঠানে বোমা হামলা হয়েছিল। অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। ফুলকুমার নদীর ধারের এই ছেলেটি সেদিনের কষ্ট বুকে জমা করে রেখেছিল।

এই কবিতায় হরিমতি’র কথা লিখেছি। আমার শৈশবের অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলানো চেষ্টার সে স্বাক্ষী। সে কোথা থেকে আসত সব সময় ভাবতাম। তখন আমাদের বাড়ির চারপাশের ফুলকুমার নদীর ওপারে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। খুব ছোট বেলায় হরিমতির বয়ে আনা টেংড়া মাছ আমার হাতে কাটা ফুটিয়ে দেয়। তাই থেকে তাকে আমি টেংড়া নামেই ডাকতাম। বলতাম হরিমতি টেংড়া। খুব রাগ করত। বেচারা কবে মরে গেছে জানি না। এখন তাকে পেলে হয়তো খুব আয়োজন করে ছবি তুলতাম তার। এই কবিতার সাথে লাইভ হরিমতি। ইউটুবে স্থান করে নিত। হরিমতি নেই। কিন্তু তার ‘বাপই’ রয়ে গেল। রংপুর অঞ্চলে ছোট ছেলেকে বাপই বলে।

অন্য চরিত্রগুলো নিয়ে সময় করে লিখতে হবে। আয়োজন করে লিখতে হবে। বর্ণিল সম্ভাবনা গুলো মলিন করতে খুব মায়া লাগছে। যাদের কথা লিখতে চাই তারা সবাই শুদ্ধ মানুষ। তাদের মলিনতা কখনও ছুঁতে পারে নি। অন্তত এই কথাটি আমি বিশ্বাস করি। প্রিয় শৈশব; প্রিয় ছেলেবেলা; আমারে তুমি অশেষ করেছ।

একটা কবিতা লিখব;
এই ধ্যান অনেক কাল ধরে
মিশে আছে মনে
আমার ভাবাতুর চেতনা পরে
কি লিখব সে কবিতায়?
ভাবি শুধু ভাবি
দিনরাত অবিশ্রান্ত
পড়ার টেবিলে-পার্কে-আড্ডায়,
শাওয়ারের শব্দে-বাথরুমে
পাইনা কিছুই খুঁজে।

একটা কবিতা লিখব;
নুতন কথার একটা কবিতা
কি লিখব সে কবিতায়!
ভাবি আর ভাবি………….।

একবার ভাবি
কবিতায় লিখি
ধরলার চরে সেই
নির্বিকার দুই ভিখারিনীর কথা,
যার হাত সবসময়’ই থাকে শূন্যে
প্রত্যাশায়,
দশ-বিশ-পঁচিশ পয়সা করে
সারাদিনে জমে যায় বেশ
খোলা আকাশের সূর্য কোনদিন তাতে
করে না চাঁদাবাজি
শুধু নির্বিকারভাবে দেয় তেজ
যেন হলুদ জন্ডিস মার্কা স্বপ্ন দেখায়।

একটা কবিতা লিখব;
একটা কবিতা লেখা উচিৎ
কি লিখব সে কবিতায়!
ভাবি আর ভাবি………..।

ইচ্ছে করে
কবিতায় লিখি
পয়ড়াডাঙার সেই তেতুল গাছ,
বিলের কিনার ঘেঁসে আছে দাড়িয়ে
বৃহৎ সুন্দর হয়ে
সবুজের ভান্ডার যেন
কতকাল থেকে কে জানে!
সারাদিন তার ডালে
পাখির ছুটোছুটি ক্লান্তিহীন
সবুজের বুকের মাঝে,
আবছা ছায়ায় যেন ভাসে
নিচের সবুজ জলে
যেন আমিও সবুজে আছি মিশে।

একটা কবিতা লিখব;
সুন্দর একটা কবিতা
ভাবনায় আসে না কিছু
আসে সীমাহীন অজ্ঞতা।

ভাবি কবিতায় লিখে ফেলি
রিম ঝিম বৃষ্টি
সুর বাজে ঝাপতালে
টিনের চালায়,
বৃষ্টির কণাগুলো আসবে হাওয়ায় ভেসে
সিক্ত করবে শুধু আমার খাতা
আলতো ভাবে,
যেন সোহাগে বুলিয়ে দেবে
মমতার পরশপাথর,
ছোঁয়াতে সোনার খাতায়
লিখে দেব
তার মহা জয়গান
প্রভাত আলোয়।

একটা কবিতা লিখব;
একটা কবিতা লেখার অপেক্ষায়
আছি বসে
কি লিখব সে কবিতায়!

ভাবি কবিতাতে এঁকে দেই
মজিরনের হাত দু’টো,
সারাদিন অবিরাম
ঠুকুস ঠুকুস
কয়লা ভাঙে,
প্রতিটিন দুইটাকা করে
মালিক দেবে
সে…………ই সাঁঝে,
ভিতরটা তার
ইট ভাটার কয়লার মত জ্বলে
উদরের সংগ্রাম অব্যাহতভাবে চলে
উপায় নেই তার
জীবন গেছে বলী
প্রার্থনা তার আজ
কখন আসবে সাঁঝ।
একটা কবিতা লিখব;
নুতন ধারার একটা কবিতা
দূর নিরুদ্দেশের যাত্রায়
প্রিয়জনের ব্যাথায়;
কি লিখব সে কবিতায়!

লেখার বাসনাতে
লিখে দেই
মন্টু মিঞাকে,
প্রিয়জন ছেড়ে
মফিজ হয়ে বাসের ছাদে,
দড়ির বেষ্টনীর ফাঁদে
জীবন মুঠোয় ভরে,
চলে দূর অজানায়………….
যেখানে ফলেছে ফসল আগে;
মফিজ অপবাদ ঘাড়ে
করে তাড়া বারে বারে
রোজগার করে আনবেই কিছু,
অনাহারে আছে প্রায়
তার বঁধু-দুধের শিশু।

একটা কবিতা লিখব;
কবিতা একটা লিখতেই হবে
ভালোবাসা মায়ার কোন কবিতা
বঞ্চিত জীবনের কবিতা
কার কথা লিখব?

ভাবনার চোখে আসে
মনের অজান্তে ভাসে
মলাতি বুড়ির কথা,
খুব সকালে সে আসত
শীর্ণ মলিন কান্তি
কুকড়িয়ে শুকিয়ে যাওয়া,
তবু মাথায় ধরা ভারে
রাশি রাশি মোয়া
বেড়াত ফেরী করে,
চিরকাল থাকবে মুখে মিশে
সেই সকালগুলোর
গোল গোল মোয়ার স্বাদ,
জানিনা কি ভেবে সে
জীবনের শেষ অবধি
কুকড়িয়ে যাওয়া শরীরে
মায়ার চোখে তাকিয়ে
করত ফেরী স্বর্গ প্রসাদ।

আবার চেতনায় জাগে
অনেক দিন আগে
হরিমতির কথা;
যাকে ডাকতাম টেংড়া বলে,
প্রতিদিন আসত সে
জেলে পাড়া থেকে
মাছের ডালা হাতে
ফুলকুমার নদী
পেরিয়ে,
ইচ্ছে করে কবিতায় শুধু বলি
তার চোখের দুঃখ ভরা হাসি
আর সেই ডাক;
‘মাছ নেবে গো মাসী।’

একটা কবিতা লিখব;
রক্তের উষ্ণতা মাখা কোন কবিতা
ভরা শুধু প্রখর খরতা
কি লিখব সে কবিতায়!

ইচ্ছে করে;
কবিতায় রক্তগঙ্গা দিই বইয়ে
সেইসব ঘাতক পশুর,
সুরের আবেশ ভরা মধ্যরাতে
যারা করে বোমা হামলা
নিস্প্রান করার বাসনায়
সমাজটাকে,
আদিম ক্রধে ভরে
তাদেরকে জড়ো করে
মনের ঘৃনা আক্রোশ মেশানো
ভয়াবহ এটম বোমাটি
দিই ছুঁড়ে,
নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক
পৃথিবীর বুকে
প্রসুনের বিরুদ্ধাচারী
সেইসব কীট
যারা সুন্দর স্বপ্নের ঘটায় ব্যাঘাত
নড়ে যায় ভিত।

একটা কবিতা লিখব;
একটা কবিতা লেখার বাসনায়
আমৃত্যু থাকব আমি বসে,
ভয় নেই কিছু হারাবার
আমি লিখবই অবশেষে
কোন একটি কবিতা সাহসে।।

০১.০৫.১৯৯৯