আমার পছন্দের গান। আমি সারাদিন এই গান শুনি

শচীন দেব বর্মনের অনেক বিখ্যাত গান এটি। আমার সবচেয়ে প্রিয় গান। শেয়ার করলাম লিরিক।

বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে হৃদয়ে দিয়েছো দোলা

রঙেতে রাঙিয়া রাঙাইলে মোরে, একি তব হরি খেলা

তুমি যে ফাগুন রঙেরো আগুন, তুমি যে রসেরো ধারা

তোমার মাধুরি তোমার মদিরা করে মোরে দিশাহারা

মুক্তা যেমন শুক্তিরো বুকে তেমনি আমাতে তুমি

আমার পড়ানে প্রেমের বিন্দু তুমিই শুধু তুমি।।

….

প্রেমের অনলে জ্বালি যে প্রদ্বীপ সে দ্বীপেরো শিখা তুমি

জোনাকি পাখায় ঝিকিমিকি নেচে এরে কি নাচালে তুমি

আপন হারাই উদাসী প্রাণের লহো গো প্রেমাঞ্জলি

তোমারে রচিয়া ভরেছি আমার বাউল গানের ঝুলি

মুক্তা যেমন শুক্তিরো বুকে তেমনি আমাতে তুমি

আমার পড়ানে প্রেমের বিন্দু তুমিই শুধু তুমি।।

….

চমকি দেখিনু আমার প্রেমের জোয়াড়ো তোমারি মাঝে

হৃদয় দোলায়, দোলাও আমারে তোমারো হিয়ারি মাঝে

তোমারো প্রাণের পুলক প্রবাহ মিশিতে চাহে আমাতে

যপো মোর নাম গাহ মোর গান আমার একতারাতে

মুক্তা যেমন শুক্তিরো বুকে তেমনি আমাতে তুমি

আমার পড়ানে প্রেমের বিন্দু তুমিই শুধু তুমি।।

আসুন পজিটিভ কথা বলি

happy-customersআমি ইদানিং একটা বিষয় নতুন করে আবিষ্কার করলাম। আমরা যখন আড্ডা দেই, তার প্রধান বিষয় থাকে সচালোচনা করা। এবং বলাই বাহুল্য যে তা অন্যের বা কোন বিষয়ভিত্তিক দোষের সমালোচনা।

খুবই ভালো বিষয় সন্দেহ নেই অন্তত আড্ডা দেয়ার জন্য। কিন্তু অবাক লাগে যাদের বা যে বিষয়ের দোষ নিয়ে কথা বলা হয়, তার কি কোন ভালো দিক নেই? অথচ যেকোন ভালো খবর বা মুভমেন্ট অনেক বেশী মানসিক সাপোর্ট দেয় আমাকে। আমার ধারনা সবাইকে দেয়। তাহলে করি না কেন?

আজকে একটা সংবাদ পড়লাম বিডি নিউজে “বাংলাদেশের জন্য কিছু করতে চাই: নোরা“। এটা জুনিয়র মিস এমেরিকা নোরা’র দেশে নেমে প্রথম কথা মিডিয়ার সাথে। খুবই ভালো লাগল আমার। অনেক পজিটিভ কথা। একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার অনেক ভালো লাগল কারনঃ

১. তার এই সাফল্যে বাংলাদেশের নামটা আর একবার সবার কানে গেল (বিশ্বের)।

২. মিডিয়ার মাতামাতি যেহেতু আমেরিকায় একটু বেশী, তাই আশা করছি নোরা যতদিন থাকবেন বার বার মানুষ বাংলাদেশকে মনে করবেন (মিডিয়ার)।

হঠাৎ মাথায় একটা আইডিয়া এলো: এমন কোন একটা নিউজ পেপার শুরু করা যায় না, যার প্রথম পাতায় থাকবে শুধু পজিটিভ সংবাদ। আর অন্যান্য সংবাদ থাকবে ভিতরের পাতায়। আমার মনে হয় পজিটিভ চিন্তার অনুশীলনের সময় এসেছে। আমরা যে অনেক ভালো কাজ করি, এটা আমরা ভুলে যাই সব সময়।

কুড়িগ্রাম এবং আমি

অনেকেই জানেন আমার বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। আসলে কুড়িগ্রামের রায়গঞ্জে। বড় ভালো জায়গা। আমার বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ফুলকুমার নদী। এমন সুন্দর নদী খুব কম দেখা যায়। বড় বিচিত্র ভাবে একে বেকে এসেছে নদীটা (নতুন করে গুগুল আর্থে দেখে আরো মুগ্ধ হয়ে গেছি)। এই নদীর পারেই আমার বাড়ি। এখানেই জন্মেছি, বড় হয়েছি। আমার গ্রামের নাম রাঙ্গালীরবস।
আমাদের গ্রামটা ইন্ডিয়ার বর্ডারের কাছে। এক দিকে পশ্চিম বাংলা আর এক দিকে আসাম। মেঘমুক্ত আকাশে আমার গ্রাম থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। ভয়ঙ্কর সুন্দর দৃশ্য। কত ভালো লাগার স্মৃতি!
এখন আমি ঢাকাতে থাকি। কুড়িগ্রামে যাওয়া হয় খুবি কম। শুধু প্রত্যেকবার শীতের সময় কুড়িগ্রামের কথা ভাবি। যারা উত্তর বঙ্গের মানুষ তারা শীতের ব্যাপারটা জানেন। অনেক ভয়ঙ্কর শীত সেখানে। কিন্তু কুড়িগ্রামের শীত আরো ভয়ঙ্কর। কেন?
১. কুড়িগ্রামে মঙ্গা আছে
২. কুড়িগ্রামের ৫ ভাগের ৩ ভাগই নদী
মঙ্গার কারনে লোকজনের শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে অনেক কম এবং মঙ্গার পর পরই বোনার হিসেবে আসে শীত। কুড়িগ্রামের খুব কাছেই দার্জিলিং, তাই ঠান্ডা কেমন একটু চিন্তা করে নিন। প্রত্যেকবার শীতে কোথাও লোক মরুক আর নাই মরুক, কুড়িগ্রামে মরবেই। আমাদের রেকর্ড কেউ ই ভাঙতে পারবে না!
আর ব্রহ্মপুত্রের মতোন বেয়াদপ নদী কুড়িগ্রামে। এই পাগলা নদী ভাঙনের গান গাইতে খুব ভালোবাসে। নদী ভাঙে আর মানুষ বুক চাপড়ায়। যে বুকের স্টেমিনা মঙ্গায় একদম শেষ!
সিডরের তান্ডবে সবান্ধবে আমরা অনেক করছি, আরো করব। এই লেখার উদ্দেশ্য হলো আপনারা একটু কুড়িগ্রামের কথা ভাবুন। পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের সবচেয়ে গরিব জেলা। লোকগুলোকে একটু হেল্প করুন।

এই আমি.রাত

আকাশ ভরা চাঁদের আলো
জোৎস্না সব খানে,
হাত বাড়িয়ে জোৎস্না ধরি
জোৎস্না নেই মনে,
অবাক হয়ে যে দিকে চাই
আলোর অগ্নিগিড়ি,
ঘুম ভেঙে যায়, কষ্ট বাড়ে
জোৎস্না কি করি?
ছোট বেলার চাঁদ মামা সেই
চন্দ্রাহত করে!
চাঁদ কপালি অন্ধ আমি
ভালোবাসায় মরে।