Optimized: Don’t worry Bangladesh!

Two days ago I was present in an event by Bangladesh Search Engine Optimization Group at Dhanmondi Lake, Dhaka, Bangladesh. That was quite an interesting event for me because there was hope. The hope I was seeking for to enlighten my dreams. There was IT professionals and those are not even earning more than 600$ a month but the quantity was huge. They didn’t have any good educational background but good technical skill they had.

They were talking about their success. One person was conveying his struggle in this field. He started his career after his Secondary School Certificate exam. Struggled till his college education and in the same time started learning SEO and web development. And today his monthly income is more than 500$ USD.

Another fellow was talking about his story when he started SEO. At first his income was 87cents a month. After learning SEO his monthly income is around 600$ USD now.

I met lots of Content, web developers. Lots of Affiliated programmars and SEO marketers. I found hope. These people are the mainstream IT people for Bangladesh. Because I didn’t find any empty eyes. Their eyes was full of confidence. They are earning lots of foreign currency through Odesk, Elance and Guru. Salute you guys.

যে কারণে ব্লগে দীর্ঘদিন নাই হয়ে ছিলাম

ঘুম থেকে উঠেই কাগজ কলম নিয়ে বসেছি। হাটতাম অনেক। আড্ডা দিতাম। আবার লিখতাম। আবার আড্ডা। সময় টা ১৯৯৯। আমি তখন কুড়িগ্রাম। ঢাকায় আসার পরে প্রথম আলো তে লেখালিখি শুরু। প্রথম আলোর কাগজে লিখার পরে আবার সেটা কম্পোজ করতে দিতে হত কম্পোজ সেকসন এ। এই ঝামেলা এড়াতে সরাসরি কম্পিউটার এ লিখতাম। যদিও কম্পিউটার বেবহার করি ১৯৯৪ থেকে।

সেই সময়ে একটাই কিবোর্ড। বিজয়। সকাল থেকে শুরু করে রাত অবধি হাজার হাজার শব্দ লিখতাম বিজয়ে। এরপরে আসলো ইউনিকোড। যেহেতু ওয়েবে উপস্থিতি অনেক বেশি ছিলো, তাই অভ্র কে বেছে নিলাম নিজের করে। অভ্রতে বিজয় দিয়ে লিখতাম।

২০১০ এ সিদ্ধান্ত নেই ফোনেটিক এ লিখবো। প্রথমে অভ্র দিয়ে শুরু করলাম। এরপরে হাসিন ভাই এর স্ক্রিপ্ট, মোর্শেদ এর স্ক্রিপ্ট চেষ্টা করলাম। এরপরে যখন গুগলে বাংলা আসলো, গুগলে এ রয়ে গেলাম। মধ্য খানে কিছুদিন মাইক্রোসফট এর টা বেবহার করলাম। এই গবেষণা করতে গিয়ে এখন আমি না পারছি বিজয় দিয়ে লিখতে (ভুলে গেছি প্রায়) অথবা আগের মতন ঝড়ের গতিতে বাংলায় লিখতে। দুঃক্ষ এখান থেকেই শুরু।

এতদিন বিরতি দিয়ে আবার শুরু করলাম। এখন লিখছি গুগল দিয়ে। কারণ আমি গুগল সকল প্রডাক্ট (ওয়েব) ব্যবহার করার চেষ্টা করি। অনেক সমসসা পাচ্ছি। যেমন এখন পর্যন্ত দাড়ি দিতে পারছি না। তাই ফুল্ল্স্তপ বেবহার করে পরে ঠিক করতে হচ্ছে। তারপরেও চেষ্টা করছি। কারণ আমাকে বাংলা লিখতেই হবে। এবং বাকি জীবন ফোনেটিক ই ব্যবহার করতে চাই।

যেহেতু গুগল মেশিন লার্নিং প্রসেস এ চলে। তাই আশা করতেই পারি আগামী ১ বসরের মধ্যে আমি ঝড়ের গতিতে গুগল এ বাংলা লিখতে পারবো। কারণ আর কোনো উপায় নাই। হাতে আর বাংলা লিখতে পারি না।

যে কারণে বাংলাদেশে ই-কমার্স জনপ্রিয় হবে না

আজকে অন্যরকম একটা গল্প বলবো। এটা একটা অন্যরকম বাস্তব অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা অন্যরকম গ্রুপ এর বই এর ওয়েবসাইট rokomari.com এর।

কয়েকদিন আগে শ্রদ্ধেয় মুনির হাসান একটা আর্টিকেল লিখেছিলেন প্রথম আলোতে। যেখানে তিনি অন্যরকম এক বাংলাদেশী উদ্যোগতার গল্প বলেছিলেন। সেই লেখার কল্যানে আমি তাদের সাইট থেকে একটা বই কিনি এবং বিশাল ধরা খাই।

IMG_0693

 

 

প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ এর “উঠোন পেরিয়ে দুই পা” বইটি আমি ইন্টারনেট থেকে কিনি। বইটির দাম ছিলো ৩৩৩ টাকা। বইটি কেনার পর সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হয়েছিল ৩০টাকা। মোট মূল্য দাড়ালো ৩৬৩ টাকা। বইটি হাতে পাওয়ার পর যা যা দেখলাম টা হলো:

১. বইটির গায়ের দাম হলো ৩৫০ টাকা যা ২০% কমিশন এর পর হয় ২৮০ টাকা। এখানে আমি বেশি দিলাম মোট ৩৩৩-২৮০=৫৩ টাকা। সার্ভিস চার্জ সহ ৮৩ টাকা।

২. বইটির প্রথম ফর্মা পুরোটাই ছেড়া।

৩. বইটি হুমায়ুন আহমেদ এর পুরনো কিছু বই এর সংকলন।

৪. সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এর যে লোকটি বাসায় এসেছিলেন, উনি আমার কাছে রিক্সা ভাড়া দাবি করেছিলেন এবং আমাকে বিব্রত অবস্থায় ফেলেছিলেন।

বইটি আমি যদি দোকান থেকে কিনতাম তাহলে উপরের বর্ণিত ৪ টি ঘটনার একটাও ঘটত না। যখনি দেখতাম এটা কিছু পুরনো বই এর সংকলন আর কেনা হত না। যদিও কিনতাম বেশি টাকায় কিনতাম না এবং বইটির সব থাকতো ঠিকঠাক। আর আমাকে কোনো ধরনের বিব্রতকর অবস্থায় যেতে হত না।

যতদুর জানি ২০% কমিশন দেয়ার পরও বইয়ের দোকান ভালো মুনাফা করে এবং যুগের পর যুগ তারা বেবসা করে আসছেন। একয়্হ কাজ সামান্য সার্ভিস চার্জ এর বিনিময়ে এ-কমার্স সাইট গুলন করলে ক্ষতি কোথায়? এইসব অন্যরকম প্রতারণা বন্ধ না হলে দেশে কখনই জনপ্রিয় হবে না ই-কমার্স। এদের থেকে সাবধান।