নাজমা

Nazma in my study room.

এই বালিকার নাম নাজমা। আমার কনিষ্ঠ ভগিনী’র বাসার সহকারি। কিছুদিন আগে ঢাকায় এসেছে। কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চল থেকে তার আগমন। বয়স মাত্র ১২। কিন্তু জীবনবোধের জায়গায় অনেক বড়। এই বয়সে প্রতিদিন খোঁজ নেয় কত বছর কাজ করলে তার বিয়ে করার মতো টাকা জমবে। সে তার নিজের একটা সংসারের জন্য স্বপ্ন দেখে। ছবি তুলতে চাইলে যে হাসি টা দিল, এই ভেজালের শহরে সেটা হজম করার সামর্থ নাই আমার। 
বালিকার শহরের প্রতিটি বিষয়ে কৌতহল। স্বভাবসুলভ কৌতহলে কোন কিছুই নিস্তার নাই। প্রতিদিন গড়ে ৪০০০ টা প্রশ্ন আর সেই প্রশ্নে বোন আমার পুরা কাহিল। 
শেষ কবে এমন হাসি হেসেছেন?

**//** ধানমন্ডি, ঢাকা।

বিনিদ্র রাত

সারা রাত জেগে আছি। এখন ভোর হচ্ছে। অদ্ভুত এই শহরের দালানগুলো সিলুয়েট হয়ে আছে। অনেক মানুষ হয়তো এই সময়ে তার হাই ডাইনামিক রেঞ্জের চোখ দিয়ে দালান আর ভোরের নরম আলোকে পৃথক করার চেষ্টা করছে। আর আমি বিনিদ্র। 
যে বিনিদ্র সে নাকি স্বপ্ন দেখতে পারে না। কিন্তু স্বপ্নের অত্যাচারে কিছু মানুষ নিশাচর। আধুনিক ঘরে বসে, ইন্টারনেটে সারা দুনিয়া চরে বেড়ায়। এই পৌনে ৩৯ বছরের জীবনে এতো বেশী পরিবর্তনের মধ্যে পড়েছি যে নিজেকে আর চিনতে পারি না। আমার পুরো নিজেকে হারিয়ে খোঁজার মতো একটা বিষয় হয়ে গেছে।
গত দুই দিন থেকে মনে হচ্ছে কোথায় কী জানি নেই। এক ধরণের হাহাকার নিয়ে এপাশ-ওপাশ করছি। নিঃশব্দের নিশ্বাস টের পাচ্ছি। বড্ড এলোমেলো অবস্থা। যমপূরীর মতো, একটা কাকের ডাকও পাই না। এই শহরের কাকগুলো ধানমন্ডি পরিত্যাগ করেছে। 
ভোর হচ্ছে, সবাই জাগছে। প্রতিটি প্রাণ যার যার অস্তিত্বের সংগ্রামের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক পড়তে হবে এই ভেবে বাবা-মায়েরা সন্তানদের ভোরে উঠিয়ে দিচ্ছে। আবার কেউ হয়তো সবচেয়ে আরামে ঘুমের মধ্যে তেপান্তরের মাঠে ঘোড়ায় চড়ে রাজকন্যাকে উদ্ধার করতে ব্যাস্ত। আমার শরীরের ভিতরের জীবাণুরা নতুন উদ্যেমে বাাঁচার জন্য রক্তকণিকাকে আক্রমণ করার কোন ফন্দিতে ব্যস্ত। 
ইদানিং ভাবনাগুলো খুব এলোমেলো। ঘন্টার পর ঘন্টা লিখতে ইচ্ছে করে। কে কী ভাবল বা ভাবল না, গুরুত্ব দিল কী দিল-না এই ভেবে যাচ্ছেতাই ভাবে লিখতে ইচ্ছে করছে। বয়স হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবী নামের এই গ্রহের অনেকগুলো ঋতু পার করে কেমন যেন অচেনা হয়ে গেছি। 
কোন একদিন আমি ঠিক সব ছেড়ে চলে যাব। সভ্যতা নামের থিওরি যা কিছু দিয়েছে, সব ফেলে খালি পায়ে হেটে চলে যাব। ক্যালেন্ডার নেই, এপয়েন্টমেন্ট নেই, ফোন নেই, এসএমএস নেই, ফেইসবুক নেই, ইন্টারনেট নেই এবং কম্পিউটার নেই কোন খানে। শেষ কবে চাদের আলোয় ঘুমিয়েছি! 
বড় অস্থির লাগছে। ভোর হচ্ছে অথচ আগের মতো আর জাগছি না। এভাবেই সভ্য হওয়ার চেষ্টায় দিনে দিনে আমার মৃত্যু হচ্ছে।

**//** ধানমন্ডি, ঢাকা।

রূপকথার জন্মদিন

আজ রূপকথার জন্মদিন। আজ ৫ নভেম্বর। ২০১০ সালের রাত ১২:০৫ মিনিটে তার জন্ম। সেই দিন সন্ধ্যা থেকে সিমু নাসের, আসিফ এন্তাজ রবি আর আমি পান্থপথে আমার বাসায় আড্ডা দিচ্ছিলাম। আড্ডার মাঝে ফোন। তারপর হাসপাতালে ছুটে যাওয়া। যেতে যেতেই রূপকথার মা’কে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকিয়ে ফেলেছে। বাইরে অপেক্ষা করছি। একটু পরেই টাওয়ালে জড়িয়ে নিয়ে একজন নার্স রূপকথাকে নিয়ে এলেন। আমার কোলে দিলেন। আমার কোলে এসেই চোখ খুলে আমার মুখটাকে একজন স্ক্যানিং করে দেখল সে। আমি তখন কম্পমান। সে রূপের, সে দৃষ্টির কাছে এফোড়-ওফোড় হয়ে একরকম অবস।

সবুজ… শিল্পী: অরুন্ধতী রূপকথা

আমার এই গল্পের একটা ফাক আছে। রূপকথার মা আমার সাথে ছিলেন না। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কী মনে করে জানি আমাকে সংবাদটা দিয়েছিলেন। আর আমি! ইগোর কাছে পরাজিত একপিস মানব সন্তান।

রূপকথা এখন থাকে কুয়ালালুমপুরে। ওর মায়ের চাকুরি সেখানে। আমি অনেক চুরি করে ছলনা করে ওর মায়ের প্রোফাইল থেকে ছবি ঘাটি। সে মেয়ের ছবি দেয় না, কিন্তু মেয়ের কর্মগুলো থাকে। এই ছবিটা আমার মেয়ের আঁকা। সম্ভবত ওর ৭বছর+ বয়সের। আমার দেখা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম চিত্রকর্ম এটি। আমি অনেক কায়দা করেও একটা লাইন আঁকতে পারি না। আর আমার একমাত্র সন্তান আস্ত একটা ছবি এঁকে ফেলল! এই ছবির দিকে তাকিয়ে কতবার যে কেঁদেছি! 

আজ অরুন্ধতী রূপকথার জন্মদিন। আজ রূপকথা ৮ বছরের একটা শিল্পী। 
নয়ন ভরে দেখব বলেই চোখ জুড়ে পানি…

মেটাসটেসিস কার্সিনোমা | Metastasis Carcinoma

Nazrul Islam | Photograph by Carlos Cazalis. Chairman Bari, Kurigram.
বড় অদ্ভুত টাইটেল। এই শব্দ দুটির সাথে খুব কম মানু্ষের পরিচয়। শব্দ দুটির সাথে কারো পরিচয় হওয়াটাও সুখকর নয়। তার পরেও কিছু মানুষের জীবনে শব্দ দুটি অনেক ভয়ঙ্কর ভাবে আসে। চরম বাস্তবতায়। এই শব্দ দুটির সাথে ক্যানসারের ডাক্তাররা ভালো পরিচিত। এবং এই ক্যানসার যেসব পরিবারে হয় তারা পরিচিত (ফার্স্ট হ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে)। দুঃখজনক ভাবে আমি পরের দলে। আমার পরিবারে এই অসুখ হয়েছিল। অতীত কালে লিখতে হলো। যার হয়েছিল তিনি আমার বাবা। নজরুল ইসলাম (চেয়ারম্যান)।
প্রথম দিকে আমার ধারনা ছিল যে ক্যানসার বড় অসুখ নয়। কেমো থেরাপি, রেডিও থেরাপি দিয়ে একে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। খুবই সরল একটা ধারণা। বাবার যখন ক্যানসার ধরা পরল সেদিনটার কথা আমার মনে আছে। বড় ভয়ঙ্কর অনুভূতি।
ভারত এবং নেপালের মাঝে বেড়াতে গেছি। জায়গাটার নাম সান্দাকফু। ইনাম, জুই, ইনাম কন্যা, মনোয়ার ভাই এবং আমি। আমরা একটু বেশী এডভেঞ্চার করতে গিয়ে লালমনির হাট দিয়ে রওনা হই। তাই ফেরার সময় একই ইমিগ্রেশন। কুড়িগ্রামের কাছে তাই সুযোগটা হাতছাড়া করি নি। সবাই সহ বাড়িতে চলে যাই।
বাড়িতে গিয়ে দেখি আমার বাবা পিঠের ব্যাথায় ছটফট করছেন। তাই ঢাকা ফেরার সময় এক রকম জোড় করে তাকে নিয়ে আসি। আসতে চাচ্ছিলেন না। অনেক কাজ। চির জীবন কাজ করেই গেলেন। ঢাকায় এসে হাড়ের ডাক্তার দেখালাম। ওনার যাবতীয় এক্সরে এবং সিটি স্ক্যান শেষে বললেন বায়োপসি করাতে হবে। করানো হলো। সেই স্যাম্পল দুই জায়গায় দেয়া হলো। এক জায়গায় আসল ব্লাড ক্যান্সার এবং অন্য জায়গায় মেটাসটেসিস কার্সিনোমা।
My Father in front of his house with my sister Ruksi. Photograph taken by me.
ব্লাড ক্যান্সার দেখেই মাথা খারাপের মতো অবস্থা। মরা কান্না সবার। আবার বাবার সামনে সবাই হাসিমুখ। যেন কিছুই হয় নাই। সব ঠিকঠাক। আর আমাদের বালিশগুলো প্রত্যেক রাতে ভিজে। দিনের বেলা শুকায়। আমরা ব্লাড ক্যান্সারকে মেনে নিয়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলা শুরু করলাম। ডাক্তার জানালেন ব্লাড ক্যান্সারের ভালো চিকিৎসা আছে। ভয়ে মরে যাওয়ার কিছু নেই। আমার বাসায় হুট করে শান্তি। অনেক দিন পর ফিরে এসে ভাত খেলাম। তারপর ঘুম। অনেক দিনের ঘুম। আরামের ঘুম। বাসায় মোটামুটি আনন্দ ঘন পরিবেশ। নিশ্চিত মৃত্যু থেকে রেহাই।
যেহেতু দুই জায়গায় দুই রিপোর্ট তাই নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরো অনেকগুলো পরীক্ষা করা হলো। এবং অবশেষে জানা গেল যে তার ব্লাড ক্যান্সার নেই। তবে পরের টা নিশ্চিত। তখন আবার নতুন করে পরীক্ষা যে ক্যান্সারটির উৎপত্তি কোথায়। পরে জানা গেল ফুসফুসে। আমাদের আবার কান্নার রোল। জোয়ার ভাটার মতো অবস্থা।
আমি এবং মা গেছি রিপোর্ট আনতে মেডিনোভায়। পেট সিটি স্ক্যানের (PET CT Scan)রিপোর্ট হাতে নিয়ে দেখি প্রাইমারি টিউমার ফুসফুসে। কাক তালিও ভাবে বাবা সেই সময়েই ফোন করলেন। এবং আমার মাকে তার জন্য সিগারেট আনতে বললেন। আমার মা রেগে আগুন। ফুসফুসে ক্যান্সার জেনেছেন মাত্র কয়েক মিনিট আগে। তার উপরে সিগারেটের আবদার।
বাসার এসেই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ। শুরু হলো কেমো এবং রেডিও থেরাপি। তারপরও মনে আশা। অনেক বেঁচে থাকবেন বাবা। এর পিছনে বড় শক্ত একটা যুক্তি ছিল। আমার নানী দীর্ঘকাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে ছিলেন। সেই ভরসায় আমাদের নতুন চিন্তা শুরু হলো।
দিনে দিনে বাবার শরীর খারাপ হওয়া শুরু করল। মাথার চুল হাওয়া। মুখে কালি। বড় কষ্টের সেসব দিন। এর মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ মারা গেলেন। আমার স্মার্ট বাবা খুবই আপ সেট হয়ে গেলেন। তার যুক্তি “এত বড় মানুষ। এত ভালো জায়গায় চিকিৎসা করেও বাঁচালেন না। আমি কোথাকার কে?”।
আমি এবং মা আবার ঘটা করে ডাক্তারের কাছে গেলাম। আমার সকল আশাকে গুড়িয়ে দিয়ে ডাক্তার একটা বাজে কথা শোনালেন। এই ক্যান্সার মেটাসটেসিস। এটা হলে গড়ে ১ থেকে দেড় বছর মানুষ বাঁচে। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে অজ্ঞান হওয়া ঠেকালাম সেদিন। বাসায় এসে পুরো ভেঙে পরা একজন মানুষ। মাথার উপরের শক্ত ছাঁদ ভেঙে যাবে? আবার আমাকে শক্তও হতে হবে। নজরুল চেয়ারম্যানের একমাত্র পুত্র আমি। অনেক দায়িত্ব। অনেক কঠিন দায়িত্ব।
দেশের ডাক্তারদের কথায় আর ভরসা না পেয়ে একরকম রাতারাতি বাবাকে নিয়ে চলে গেলাম কলকাতা। টাটা মেডিকেল সেন্টারে। আবার একই চিকিৎসা। তারপর একদিন তিনি বৃদ্ধ হলেন, বনস্পতির ছায়া দিলেন সারা জীবন।
এই লেখা লিখতে পারছিলাম না। গত ২০ দিন থেকে চেষ্টা করেও শেষ হয় না। একটা লাইন লিখি। মনিটর দেখি না। ঝাপসা হয়ে যায়। লেখা শেষ হয় না। বড় কষ্ট। প্রতিটা দিনের কথা মনে পড়ে। বাবার মুখটা মনে পড়ে। আমার সবচেয়ে বড় সাপোর্টার ছিলেন। আমার মুগ্ধ ভক্ত। আমার সব কিছুতেই যার অনেক গর্ব ছিল। সেই বাবাকে নিয়ে আমার লেখা থমকে থাকে। তারপরও লিখলাম। আবার লিখব।
আমি লিখব আমার রাত জেগে থেকে বাইরের সব বড় বড় মেডিকেল রিসার্স সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করা। টেস্ট মেডিসিনের চেষ্টা করা। এবং ঘন্টার পর ঘন্টা ক্যান্সার নিয়ে পড়াশুনা করার কথা।
Humayun Ahmed | Photograph by Shakoor Majid.
লিখলাম কারণ কিছুদিন থেকে দেখছি হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে আবারো উত্তেজিত ফেসবুক। ওনাকে নাকি মদ খাইয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। হায়রে! গাধার দল। হুমায়ূন আহমেদ এবং আমার বাবা একই রোগে মারা যান। যার আয়ুষ্কাল গড়ে ১ থেকে দেড় বছর। অসুখটার নাম মেটাসটেসিস কার্সিনোমা। সবচেয়ে বাজে ধরনের ক্যানসারের একটি। কারো আগ্রহ থাকলে গুগুল করে দেখেন।

আমি এখন ক্লান্ত অনেক

আজকে সারাদিন অনেকটা ঘোরের মধ্যে কেটে গেল। ঘোর বলা ভুল। বলতে হবে অনেক কিছুতেই কেটে গেল। গত কয়েকদিন থেকে ডেটা সেন্টারের জঞ্জাল সাফ করছিলাম। আজকে ছিল শেষ দিন। নিজেদের বসানো ২৪ কোরের ফাইবার অপটিককে ওডিএফ-এ বসানো হলে আজকে। আর সব আই এস পি গুলোনকে বলা হলো আমাদের নিজেদের ব্যাম্বোতে সংযোগ করতে। আসলে এতো বেশী ক্যাবল দেখতে আর ভালো লাগছিল না। এখন অনেক ঝকঝকে লাগছে আমাদের নেটওয়ার্ক।

রাত ১২ টার পর যখন কালি-ঝুলি মাখা শরীরটা নিয়ে নেটওয়ার্কের পারফর্মমেন্স দেখা শুরু করলাম, মনটা ভালো হয়ে গেল।

সন্ধ্যের দিকটা অনেক ভালো কেটেছে। ধন্যবাদ ইমতিয়াজ মাহমুদ এবং মুস্তাক ভাই। আপনাদের জন্য এই অগোছালো সময়টা একটু ভালো কাটলো।

আর আমার বউকে ধন্যবাদ সুন্দর সুন্দর খাবারের জন্য।

 

অবশেষে সার্ভার ঠিক করলাম

হোস্টমন্সটার ব্যবহার করছি ২০০৬ সাল থেকে। প্রিয় বন্ধু রইসুলের (রুমান) দেখে ওর কাছ থেকেই কিনে নিয়ে ব্যবহার শুরু। অনেক সস্তা তাই আমার একাউন্টটা হয়ে যায় পুরো একটা হোস্টিং ম্যাসাকার। বন্ধু-বান্ধব, ক্লায়েন্ট সবার সাইট এখানে বিনামূল্যে হোস্ট করা। এই বিশাল মহত্বের কারনে এখন নিজের ব্লগটাই ঠিকমতোন আসে না (শেয়ারড সার্ভার, সস্তা)।

তাই আজকে নিজের সাইটটাকেই নিজের ডাটাসেন্টারে সরিয়ে ফেললাম। যাকে বলে সিএনজি অটোরিক্সা থেকে সরাসরি পোর্সেতে চলে যাওয়া। দেখি এখন এই উত্তেজনায় দিনকয়েক লিখতি পারি কিনা।

যেহেতু অনেক রাত জেগে এই কাজ করতে হলো তাই বলার অপেক্ষাই রাখে না যে আমার বউ ভয়ঙ্কর রেগে আছে। তাক খুশি করার জন্য একটা ছবি পোস্ট করলাম।

_MG_9399