যে কারণে বাংলাদেশে ই-কমার্স জনপ্রিয় হবে না

আজকে অন্যরকম একটা গল্প বলবো। এটা একটা অন্যরকম বাস্তব অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা অন্যরকম গ্রুপ এর বই এর ওয়েবসাইট rokomari.com এর।

কয়েকদিন আগে শ্রদ্ধেয় মুনির হাসান একটা আর্টিকেল লিখেছিলেন প্রথম আলোতে। যেখানে তিনি অন্যরকম এক বাংলাদেশী উদ্যোগতার গল্প বলেছিলেন। সেই লেখার কল্যানে আমি তাদের সাইট থেকে একটা বই কিনি এবং বিশাল ধরা খাই।

IMG_0693

 

 

প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ এর “উঠোন পেরিয়ে দুই পা” বইটি আমি ইন্টারনেট থেকে কিনি। বইটির দাম ছিলো ৩৩৩ টাকা। বইটি কেনার পর সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হয়েছিল ৩০টাকা। মোট মূল্য দাড়ালো ৩৬৩ টাকা। বইটি হাতে পাওয়ার পর যা যা দেখলাম টা হলো:

১. বইটির গায়ের দাম হলো ৩৫০ টাকা যা ২০% কমিশন এর পর হয় ২৮০ টাকা। এখানে আমি বেশি দিলাম মোট ৩৩৩-২৮০=৫৩ টাকা। সার্ভিস চার্জ সহ ৮৩ টাকা।

২. বইটির প্রথম ফর্মা পুরোটাই ছেড়া।

৩. বইটি হুমায়ুন আহমেদ এর পুরনো কিছু বই এর সংকলন।

৪. সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এর যে লোকটি বাসায় এসেছিলেন, উনি আমার কাছে রিক্সা ভাড়া দাবি করেছিলেন এবং আমাকে বিব্রত অবস্থায় ফেলেছিলেন।

বইটি আমি যদি দোকান থেকে কিনতাম তাহলে উপরের বর্ণিত ৪ টি ঘটনার একটাও ঘটত না। যখনি দেখতাম এটা কিছু পুরনো বই এর সংকলন আর কেনা হত না। যদিও কিনতাম বেশি টাকায় কিনতাম না এবং বইটির সব থাকতো ঠিকঠাক। আর আমাকে কোনো ধরনের বিব্রতকর অবস্থায় যেতে হত না।

যতদুর জানি ২০% কমিশন দেয়ার পরও বইয়ের দোকান ভালো মুনাফা করে এবং যুগের পর যুগ তারা বেবসা করে আসছেন। একয়্হ কাজ সামান্য সার্ভিস চার্জ এর বিনিময়ে এ-কমার্স সাইট গুলন করলে ক্ষতি কোথায়? এইসব অন্যরকম প্রতারণা বন্ধ না হলে দেশে কখনই জনপ্রিয় হবে না ই-কমার্স। এদের থেকে সাবধান।

Comments

  1. amar mone hoy ei dhoroner uddog ke ekhoni etota badhagrosto kora uchit noy, choto khato vultruti thakbei, seigulo nischoi vobissote thakbe na, sohag vaia protarok non, tini er ageo onek valo kaj korechen ebong vobissoteo korben, vul zodi kichu hoye thake tobe taro somadhan ase, sara bissho jekhane e-commerce er dike zacche sekhane amader pichiye thakar kono mane hoy na, eta mantei hobe ei dhoroner uddog bangladesher moto jaygay khubi challanging, so amader uchit surutei kauke nirash na kora

  2. যুক্তির চেয়ে গলার জোর দেখানোতে অধিকাংশ মানুষই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। জনাব লুৎফর রহমান নির্ঝর, আপনাকেও সেইসব গলাবাজ মানুষের বাইরে বেশি কিছু ভাবা সম্ভব হচ্ছে না। স্যরি টু সে। আপনার উল্লিখিত পয়েন্টগুলো একতরফা এবং আপনার মতামতের পক্ষেও খুব জোরালো কোন আলোচনা নেই। কোন ব্যাপারে অভিযোগ করতে হলে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অভিযোগ তৈরি করতে হয়। তুই আমার বল নিয়েছিস, তাই তোর সাথে খেলবোনা, তোর চৌদ্দ গুস্টি শয়তান- এই টাইপ মনোভাবগুলো বড্ড বেশি শিশুতোষ। তবু আপনার পয়েন্টগুলোর আলোকে ধরে ধরে সেগুলোর খণ্ডন করছি।
    ১. আপনি যেভাবে বলছেন তাতে মনে হচ্ছে বইয়ের গায়ের দাম ৩৫০ টাকা এই কথাটা আমরা গোপন রেখেছিলাম। প্রতিটি বইয়ের নিচেই কিন্তু প্রকৃত দাম লেখা থাকে এবং সেটার বিপরীতে আমরা কত দামে তা বিক্রি করবো তাও লেখা থাকে। সার্ভিস চার্জ ৩০ টাকা এটা আমরা সকল জায়গাতেই উল্লেখ করি। এবং সবচেয়ে বড় কথা হল, আপনি অর্ডার দেবার আগে আমাদের প্রস্তাবিত দামের ব্যাপারে সম্মত হয়ে তবেই অর্ডার দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে দাম নিয়ে আপনার আহাজারি একদমই টেকে না। আমরা বইপ্রতি যে মূল্যছাড় দিচ্ছি সেটা নিয়ে আপনার কোন বক্তব্য বা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই শেয়ার করতে পারেন।কিন্তু ধান্ধাবাজি, প্রতারণা জাতীয় স্থূল শব্দ ব্যবহার করে আপনি সুস্থ আলোচনার পরিবেশ বিঘ্নিত করছেন। এখানে কিছু ব্যাপার উল্লেখ করা প্রয়োজন। প্রতিদিন কী পরিমাণ বইয়ের অর্ডার আসছে? বই আনতে কোথায় কোথায় যেতে হচ্ছে?কতজন লোক যাচ্ছে? পুরো সাইটটির মেইনটিনেন্স কস্ট কেমন? যারা যুক্তিবাদী মানুষ তাদের প্রত্যেককে পয়েন্ট ধরে ধরে আমি জবাব দিতে আগ্রহী। ঢালা্ও অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। এবার আসি অর্ডার প্রসঙ্গে। বইবিমুখীতা আমাদের জাতীয় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অর্ডারেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে নিয়মিতই। বই সংগ্রহের উৎস। আমরা সরাসরি প্রকাশকের কাছ থেকে বই সংগ্রহ করি। বিভিন্ন প্রকাশনীর এবং বিভিন্ন ধরনের বই হওয়াতে কোন সুনির্দিষ্ট জায়গা নেই যে সেখান থেকই বই সংগ্রহ করা সম্ভব। এই কাজটির জন্য আমরা এখনো স্থায়ী ভিত্তিতে প্রচুর লোক নিয়োগ দিতে পারিনি। অল্প কিছু মানুষই পুরো কাজটা পরিচালনা করে। আপনি একজন মানুষ, কিন্তু আমাদেরকে আপনার মত এমন অনেকগুলো একজন এর চাহিদা সামাল দিতে হয়। আমাদের প্রতিষ্ঠানের বয়সও বিবেচনায় রাখতে হবে। আমরা শুরু করেছি গত বইমেলায়। সেই হিসেবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের বয়স ৩ মাসও হয়নি এখনো। একটা স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণে অনেকগুলোই ট্রায়াল এন্ড এরর মেথড প্রয়োগ করতে হয়, এ ব্যাপারে বোধকরি কেউই অসম্মত হবেন না। আমরা এখন সেই দশা পার করছি। ফলে সীমাবদ্ধতা কিছু আছে এ কথা অস্বীকার করার সামান্যতম অবকাশও নেই। কমিশন বিষয়ে কিছু কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। সুন্দরবন কুরিয়ারকে বই প্রতি আমাদের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পে করতে হয়। যারা কাজ করছে তাদের বেতন, যাতায়াত, অফিস মেইনটিনেন্স, টেকনিকাল মেইনটিনেন্স সহ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত সিস্টেম লসও আমাদের বহন করতে হয়। যেমন বইয়ের অর্ডার দিয়ে অনেকে ক্যানসেল করে দেন, কিন্তু ততক্ষণে প্রকাশকের কাছ থেকে বই কেনা হয়ে যায়, অনেকে বই হাতে পেয়েও ফেরত দিয়ে দেন, কিন্তু তার খরচটা ঠিকই বহন করতে হয়। এবার একটু ভেবে দেখুন বই প্রতি কতটুকু লাভ আমরা করতে পারি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আসলে লোকসানই হচ্ছে, অনেস্টলি বললে। তাহলে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক, জেনে-শুনে লোকসান কেন করছি। থিওরিটিকাল কথা বললে বলবো, বই ভালবাসি, মানুষ বই পড়ুক,এটা আন্তরিকভাবে চাই। কিন্তু নিজেই স্বীকার করেছি, এটা থিওরিটিকাল কথা। তাহলে প্র্যাকটিকাল কথা কোন্ টা? প্র্যাকটিকাল কথা হল, আমরা দু:সাহস দেখাতে ভয় পাই না। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মানুষকে জানানো গেলে বইয়ের বিক্রি বাড়বেই। প্রতিদিন যদি অনেক বেশি পরিমাণে অর্ডার আসে তাহলেই কেবল লোকসান পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হতে পারে, নাও পারে। তবে যে কোন উদ্যোগের প্রধান শর্ত যে ঝুঁকি তা মেনে নিয়েই এই কাজটা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি এবং যাব। তবুও কমিশনের ব্যাপারটা সত্যিই একটা ইস্যু। আমরাও তা ফিল করি। এজন্য দফায় দফায় মিটিংও হয়েছে। ছাড় বিষয়ে নতুন কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা এই সপ্তাহের মধ্যেই ইমপ্লিমেন্ট হবার কথা।
    তবে, যতদিন পর্যন্ত বইয়ের দোকানের দামে বই দিতে পারবে না, ততদিন এইসব সাইট এর ভাত নাই।– এটা একটা ইমপ্র্যাকটিকাল চিন্তা। বইয়ের দোকানের সঙ্গে রকমারির উদ্যোগকে মেলাতে চাইলে বলবো আপনার ভাবনায় বড়সড় একটা গলদ রয়েছে। এধরনের চিন্তা থাকলে আমরা তো বইয়েরই দোকান দিতে পারতাম আজিজ সুপার কিংবা বাংলা বাজারে। কিন্তু রকমারি চেয়েছে বই মেলা কেন্দ্রিক বই প্রকাশ ও বই বিপণন চর্চাকে নিরুৎসাহিত করে বইকে সারা বছর ও সারাদেশ ব্যাপী চালু রাখতে। দেশের যে কোন জায়গা থেকেই বই অর্ডার দেয়া যাচ্ছে এবং আমরা তাকে নির্ধারিত সময়ে বই সরবরাহও করছি। আপনি ঢাকা ও আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। ঢাকায় থাকেন বলে আপনি হয়তোবা নীলক্ষেত থেকে পাইরেটেড বই কিনতে পারছেন অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে, আজিজ সুপার-বাংলা বাজার থেকেও কিনতে পারছেন। কিন্তু যে মানুষটি টেকনাফে থাকে সে কোথায় যাবে? আপনার নিজের কথাই ধরুন। ভার্সিটি এরিয়ায় বাসা না হলে নীলক্ষেত-শাহবাগ যেতে হলেও আপনাকে হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে বের হতে হবে, এবং রিকশা/বাস ভাড়া মিলিয়ে যে খরচটা পড়বে তা কোনভাবেই আমাদের নেয়া খরচের চেয়ে কম নয়, বরং বহুলাংশে বেশি। কিন্তু বিষয়টা আপনার হয়তো গায়ে লাগবেনা, কারণ আপনার মনে হবে আমি তো এমনি এমনিই বই কিনে আনলাম, ২০% কমিশনও পেলাম। এটা অবশ্য মানুষের নরমাল সাইকোলজিকাল সিকোয়েন্স , আপনাকে দোষ দিচ্ছিনা; তবে একটু ভালভাবে চিন্তা করলে ব্যাপারটা সহজেই বুঝা যায়। আপনি যে বুঝতে পারেননি, এর একমাত্র কারণ, আপনি চিন্তা করেননি। আপনি বরং চিন্তা করুন। এরপরও কোন খটকা লাগলে আওয়াজ দিন। আমি আপনার সাথে যুক্তি-তর্কে আগ্রহী।কারণ আমি বিশ্বাস করি, সুস্থ্য যুক্তি-তর্কের মধ্য দিয়েই সবচেয়ে সুন্দর সিদ্ধান্তটিতে আমরা উপনীত হতে পারবো।

    ২ নম্বর পয়েন্টের ব্যাপারে বলি, হ্যাঁ এই অভিযোগটি যৌক্তিক এবং এই ব্যর্থতাকে অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, এক্ষেত্রে পুরোপুরি আন্তরিকতা আমরা বজায় রাখতে পারিনি। তবে এটাও সত্য, সমস্ত প্রক্রিয়াটি মনুষ্য নিয়ন্ত্রিত; কোন রোবট দিয়ে কাজটা করা গেলে হয়তো ১০০% নির্ভুলতা রক্ষা করা সম্ভব হত, কিন্তু মানুষ যেহেতু রোবট নয়, তাই এই মানবিক ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত। তবে ভাই, আপনার অস্থির মনোভাবটা নিয়েও আপনি একটু চিন্তা করতে পারতেন। আমাদের কাস্টমার কেয়ারে কি আপনি ফোন করে ব্যাপারটা অবহিত করেছিলেন? জানালে বোধকরি আপনার এই পোস্টটা লিখবার প্রয়োজন পড়তো না। এ ধরনের অভিজ্ঞতা আপনারই প্রথম নয়। এর আগেও একজন গ্রাহক বইয়ে ফাঙ্গাস পেয়েছিলেন, তিনি আমাদেরকে জানানোমাত্র আমরা তাকে উক্ত বইয়ের ফ্রেশ কপি পুনরায় পাঠিয়েছিলাম। তাই আমরা আমাদের পয়েন্ট থেকে যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছ থাকবার চেষ্টা করি, কিন্তু সবসময় পারিনা তার একমাত্র কারণ আমরা মানুষ। আমরা একা স্বয়ংসম্পূর্ণ নই; আপনাদের সহযোগিতা ও পরামর্শই আমাদেরকে সেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সহায়তা করবে।আশা করছি, আমাদের এই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটবেনা এবং যদি একান্তই ঘটে যায় তাহলে আমাদেরকে জানালেই একটা ব্যবস্থা নিতে পারবো ইনশাল্লাহ। আমরা আবারো দুঃখ প্রকাশ করছি।

    ৩ নম্বর পয়েন্ট, এটা অন্যায় অভিযোগ। আপনি সম্ভবত রাগের মাথায় কথাটা লিখে ফেলেছেন। বইটা হুমায়ূন আহমেদের পুরনো লেখার সংকলন কিনা তা আমরা কীভাবে বুঝবো? যেহেতু প্রকাশক থেকেই বইটাকে এভাবে প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে, তাই এই বইকে কোনপ্রকার সম্পাদনা বা পরিমার্জনা করা আমাদের এখতিয়ার বহির্ভূত। এ সংক্রান্ত যাবতীয় জবাবদিহিতা সংশ্লিষ্ট প্রকাশক ও লেখকের। এখানে আমাদের ভূমিকা কেবলমাত্র ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল হিসেবে। ডিস্ট্রিবিউশন সংক্রান্ত কোন অনিয়ম পেলে তার জন্য আমরা সরাসরি দায়ী, যেমনটা হয়েছে ২ নম্বর পয়েন্টের ক্ষেত্রে এবং নির্দ্বিধায় দু:খ প্রকাশ করে তার ব্যবস্থা গ্রহণেও সম্মত হয়েছি। কিন্তু একজন প্রকাশক নতুন বোতলে পুরনো মদ ভরে দিচ্ছেন কিনা, সেই প্রশ্ন আমরা যেমন তার কাছে তুলবার অধিকার রাখিনা, তেমনি এজন্য অভিযুক্ত হওয়াটাও আমরা ডিজার্ভ করিনা। ব্যবসায়িক নীতিমালা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব; সেখানে আমরা কথা বলবার কে? তবু যদি আপনার আমাদেরকে এক্ষেত্রে অভিযুক্ত মনে হয়, তবে ঠিক কোন্ পয়েন্টে মনে হচ্ছে একটু ব্যাখ্যা করবার অনুরোধ রইল। সেক্ষেত্রে নিজেদের দায়িত্বজ্ঞান সম্পর্কে আরও একটু বিস্তৃত ধারণা পেতাম।

    ৪র্থ পয়েন্ট, এটাও অন্যায় অভিযোগ। সুন্দরবন কুরিয়ার পুরোপুরি আলাদা একটা প্রতিষ্ঠান। তাদের কর্মী আপনার কাছে বখশিস দাবি করলে সেই দায় আমাদের উপর কোনভাবেই বর্তায় না| আমাদের কাস্টমার কেয়ার বা কর্তৃপক্ষ পর্যায়ে কোন দুর্ব্যবহার বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সেটা নিয়ে কথা চলতে পারে। তবু, আপনার অভিযোগটি আমরা অবশ্যই সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস বরাবর প্রেরণ করবো, কিন্তু ব্যবস্থা নেবার ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই। আশা করি, সুন্দরবন এই ব্যাপারে যত্নশীল হবে। তবে, এটাও নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন, বখশিস সংস্কৃতি আমাদের দেশে নতুন নয়, বরং এটা আবহমান নির্লজ্জতার স্মারক হয়ে টিকে আছে,হয়তোবা থাকবেও। এই অভ্যাসের বদল কবে হবে, এজন্য সুদিনের অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতত করণীয় কী আছে জানলে জানাবেন।

    আপনার পোস্টের স্ট্যান্সটা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। আশা করি, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা-সমালোচনা চালানো সম্ভব হবে। আপনার পয়েন্টগুলো শুনতে আগ্রহী; এ কারণে নয় যে, আপনার ভাবনাটা অত্যন্ত মূল্যবান। হ্যাঁ মূল্যবান অবশ্যই, তবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যাপার তা হল, আপনার পোস্টটা মানুষকে ভুল মেসেজ দিচ্ছে; যে মানুষটি কখনো রকমারি ডট কম এর নামও শোনেনি সেও নির্দ্বিধায় আমাদেরকে ধান্ধাবাজ, বাটপার আখ্যায়িত করছে। এজন্যই আলোচনাটা জরুরী। বাঙালির হুজুগ প্রবণতা ভয়াবহ। হুজুগকে ঠেকানো ও হটানোর জন্য হলেও ভুল বোঝাবুঝির মীমাংসা হওয়া জরুরী। আপনি ভাল থাকুন। বই পড়ার চর্চা জারি থাকুক।

  3. Mahmudul Hasan Sohag : আর বাকি বিষয় গুলোর জন্য আপনার মত দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি আমাদেরকে প্রতারক বলেন, তাহলে আসলেই কষ্ট লাগে, সব ছেড়ে আমেরিকা চলে যেতে ইচ্ছা হয়।

    কথায় কথায় এমন আম্রিকা যাওয়ার অভ্যাস বদলান, আর না হয় চলে যান। এতো ভাব মারার কিছু নাই, আপ্নাগ এই সব ভাব দেখার এবং শোনার সময় আমাদের নাই

  4. সোহাগ একজন সৎ লোক
    তারমত সৎ উদ্যোক্তা সফল হোক